1. news@gmail.com : news :
Title :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সম্ভাব্য চুক্তিকে ‘খারাপ’ বলল ইসরায়েল ইন্দোনেশীয় হজযাত্রীদের কোরবানির মাংস যাবে ফিলিস্তিনিদের কাছে ব্যাংকের ৫ লাখ কোটি টাকা চুরি হয়ে গেছে খসড়া করপোরেট রিস্ট্রাকচারিং রুলস ২০২৬ প্রকাশ, মতামত চাইল বিএসইসি ওয়ালটন টিভির ১২তম শিপমেন্ট বিশ্ববাজারে রপ্তানি, যাচ্ছে পূর্ব-তিমুরে উচ্চাভিলাষীর চেয়ে বাস্তবতায় ব্যবসাবান্ধব বাজেট চায় ব্যবসায়ীরা ইসলামী ব্যাংকে পলিসি কমপ্লায়েন্স বিষয়ক কর্মশালা ৩০ বিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগে বিএটির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত পদত্যাগ করছেন তুলসি গ্যাবার্ড

১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত রেখেই জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা

  • Update Time : Tuesday, January 13, 2026
  • 2 Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও তাদের শরিক ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতার আলোচনা চললেও এখনও চূড়ান্ত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। সমঝোতা না হলে মোট আসনের অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

১১ দলীয় জোটের একাধিক সূত্র জানায়, বেশ কয়েকটি আসনে একাধিক দল প্রার্থী দিতে আগ্রহী হওয়ায় সমঝোতার বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় যেসব আসনে সমাধান সম্ভব হবে না, সেগুলো উন্মুক্ত রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। ফলে ওই আসনগুলোতে জোটভুক্ত দলগুলো আলাদাভাবে প্রার্থী দিতে পারবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুধু ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেই নয়, আরও কয়েকটি দলের সঙ্গেও আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫ থেকে ১০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত থাকতে পারে। বাকি আসনগুলোতে প্রার্থী চূড়ান্ত হলে চলতি সপ্তাহেই ঘোষণা আসবে।’

খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘এমন অনেক আসন রয়েছে, যেখানে তিন-চারটি দলই প্রার্থী দিতে চায়। সোমবারও লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হয়েছে। সামনে আরও বৈঠক হবে। আমরা চাই সব আসনে সমঝোতা হোক, তবে যেগুলো অমীমাংসিত থাকবে, সেগুলো উন্মুক্ত রাখা হতে পারে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘আমাদের বৈঠক এখনও বাকি রয়েছে। কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। যেসব আসনে সমঝোতা কঠিন হবে, সেখানে উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। কয়টি আসন উন্মুক্ত হবে, তা সমঝোতার পরই নির্ধারিত হবে।’

জামায়াত – ইসলামী আন্দোলন দ্বন্দ্ব কাটছে না

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে বারী মাসুদ বলেন, ‘জামায়াত কোন কোন আসনে প্রার্থী দিতে চায়, তা এখনও আমরা জানি না। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিষয়ই চূড়ান্ত হয়নি। আমরা মনোক্ষুণ্ন, কারণ একত্রে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। দুই দল আলাদা আলাদা বৈঠক করলেও সমাধান আসছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতির প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে। কার কতটা সমর্থন আছে, সেটিও বিবেচনায় আনতে হবে। আমরা তো ২৬৭ আসনেই মনোনয়ন জমা দিয়েছি।’

আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা

জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটে রয়েছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, খেলাফত মজলিশ, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), এবি পার্টি ও এলডিপি।

জোট সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনের মধ্যে ১৯০ থেকে ১৯৫টি আসনে প্রার্থী দিতে চায়। ইসলামী আন্দোলন শতাধিক আসন দাবি করলেও তাদের জন্য ৪০টির মতো আসন দেওয়ার আলোচনা চলছে। এছাড়া এনসিপি: ২৫-৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ১০টি,,খেলাফত মজলিশ: ৩টি, এবি পার্টি: ৩টি, এলডিপি: ২টি, বিডিপি: ২টি, জাগপা: ২টি, নেজামে ইসলাম পার্টি: ১টি আসন।

মনোনয়নপত্র জমা, অপেক্ষা ঘোষণার

সমঝোতার আলোচনা চলমান থাকলেও জোটের প্রায় সব দলই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। দলীয় সূত্র অনুযায়ী,
জামায়াত: ২৭৬ আসন, ইসলামী আন্দোলন: ২৬৮ আসন, এনসিপি: ৪৭, এবি পার্টি: ৫৩,,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ: ৯৪, খেলাফত মজলিশ: ৬৮, এলডিপি: ২৪, খেলাফত আন্দোলন: ১১, নেজামে ইসলাম পার্টি: ৬, জাগপা: ৩, বিডিপি: ২টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে।

এদিকে, সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার অথবা বুধবার ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category


প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It