1. news@gmail.com : news :

ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভেজাল উৎপাদন : ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

  • Update Time : Monday, July 20, 2026

আইসক্রিম থেকে প্রসাধনী- জনপ্রিয় চার প্রতিষ্ঠানের আটটি পণ্যে মিলেছে স্বাস্থ্যঝুঁকি পূর্ণ উপাদান। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় কোনো পণ্যে মিলেছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, কোনো পণ্যে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, আবার কোনো পণ্যে পাওয়া গেছে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের ঘাটতি। এমন পরিস্থিতিতে এসব পণ্য বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

একইসঙ্গে লাইসেন্স ও অনুমোদন নতুন করে ঠিক না হওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের উৎপাদন, বিক্রি ও সরবরাহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, ফ্রেশ গার্ডেন অ্যাগ্রো রিসোর্সেসের ‘আমের আচার’-এ অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভ পাওয়া গেছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সাধারণ মানুষের পছন্দের ব্র্যান্ড কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিখ্যাত ‘বেলিসিমো’ ব্র্যান্ডের ‘রোটোন্ডো হ্যাজেলনাট কোটেড চকলেট’ আইসক্রিমে দুধের চর্বিহীন কঠিন অংশ বা টোটাল মিল্ক সলিড নন ফ্যাটের পরিমাণ দেশের নির্ধারিত মানদণ্ডের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে ভীতিজনক তথ্য মিলেছে প্রসাধন পণ্যে। অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের ‘লাবণ্য’ ব্র্যান্ডের স্কিন লোশন, ফেসওয়াশ ও শ্যাম্পুতে মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। এই ক্ষতিকর জীবাণু পাওয়া গেছে লাবণ্য ব্র্যান্ডের মিল্ক স্কিন লোশন, এলোভেরা স্কিন লোশন, ফেসওয়াশ মোরিংগা+মাচা, ফোমিং মিল্ক ও তুলসী ফেসওয়াশ এবং অ্যালোভেরা ভেরিয়েন্টের শ্যাম্পুতে।

এছাড়া ডেকো ফুডস লিমিটেডের ‘ডেকো ফ্রুট ফান্ডা’ ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ স্বাদের সফট ড্রিংক পাউডারে আবার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া গেছে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে অনেক কম।

ভোক্তা ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিএসটিআই দেশের সব ডিলার, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের বাজার থেকে এসব পণ্য অবিলম্বে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে।

এই নির্দেশ ঠিকঠাক পালন করা হচ্ছে কিনা তা মাঠ পর্যায়ে কঠোরভাবে তদারকি করা হবে এবং কোনোরকম গাফিলতি বা আইন অমান্য করা হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ক্রেতাদের বিশেষভাবে সতর্ক করে বিএসটিআই’র মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক জানান, যে কোনো পণ্য কেনার আগে অবশ্যই বিএসটিআই’র লোগো, লাইসেন্স নাম্বার, উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ ভালো করে দেখে নিতে হবে। পণ্যের মান নিয়ে কোনো সন্দেহ বা জালিয়াতির প্রমাণ পেলে দ্রুত বিএসটিআই কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন



সর্বশেষ :

প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It