1. news@gmail.com : news :

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার নথি: ওসামা বিন লাদেনের ‘হিটলিস্টে’ ছিল ভারতসহ ৮ দেশ

  • Update Time : Sunday, September 13, 2026

আল-কায়েদার সাবেক প্রধান ওসামা বিন লাদেন ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে হামলার কথা বিবেচনা করছিলেন।  সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র নথিতে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিন লাদেন-সংক্রান্ত ৭০টির বেশি প্রেসিডেনশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্রিফ প্রকাশ করেছে সিআইএ। এসব নথিতে ১০০ পৃষ্ঠারও বেশি গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে।

১৯৯৮ সালের ২৮ আগস্টের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিন লাদেন ভারতসহ পাকিস্তান, মিসর, কুয়েত, সৌদি আরব, ইয়েমেন, উগান্ডা এবং ‘সম্ভবত’ নাইজেরিয়ায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিলেন।

‘বিন লাদেনের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক এখনো হুমকি’ শিরোনামের ওই নথিতে ভারতের কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু, হামলার তারিখ বা বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা উল্লেখ নেই। নথিটির কিছু অংশও গোপন রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ায় বিন লাদেনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক থাকায় এসব অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থে হামলার আশঙ্কা যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য ছিল।

সিআইএ’র ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আফগানিস্তানে থাকা বিন লাদেন ও অন্যান্য সন্ত্রাসী নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরও টিকে ছিলেন এবং তাদের যোগাযোগব্যবস্থা সচল ছিল। আল-কায়েদা কিছু প্রশিক্ষণ শিবিরে আবারও কার্যক্রম শুরু করেছিল এবং কয়েকটি শিবির অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।

নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আফগানিস্তানে আল-কায়েদার শিবিরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেও বিন লাদেন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছিলেন।

এমনকি বিন লাদেন অন্তত ৬০টি দেশে থাকা ব্যক্তি ও সহযোগী গোষ্ঠীগুলোকে হামলা চালানোর জন্য কাজে লাগাতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল।

প্রকাশিত এসব নথি থেকে জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও জর্জ ডব্লিউ বুশকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে একাধিকবার সতর্ক করেছিল সিআইএ।

সিআইএ বলেছে, নথিগুলো প্রকাশের মাধ্যমে ৯/১১ হামলার আগে ও পরের সময়কার মার্কিন গোয়েন্দা তৎপরতা সম্পর্কে অভূতপূর্ব স্বচ্ছতা তৈরি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার ১৯ সদস্য চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে। এর মধ্যে দুটি বিমান নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে আঘাত হানে। তৃতীয় বিমানটি পেন্টাগনে আঘাত করে। চতুর্থ বিমানটি, যেটি হোয়াইট হাউস বা কংগ্রেস ভবন লক্ষ্য করে যাচ্ছিল বলে ধারণা করা হয়, যাত্রীদের প্রতিরোধের মুখে পেনসিলভানিয়ার একটি মাঠে বিধ্বস্ত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন



সর্বশেষ :
নিবন্ধিত প্রবাসী ভোটারদের সম্মতি ও নতুন নিবন্ধনে আহ্বান ইসির মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার নথি: ওসামা বিন লাদেনের ‘হিটলিস্টে’ ছিল ভারতসহ ৮ দেশ আজকের স্বর্ণের দাম: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভা-সমাবেশ করলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জিপিএইচ ইস্পাতের লভ্যাংশ ঘোষণা অনুমতি ছাড়া শেয়ার কেনাবেচার অভিযোগ এনসিসি ব্যাংক ব্রোকারেজের বিরুদ্ধে উদ্ভাবনকে বাজারমুখী করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে “রপ্তানি বহুমুখীকরণ পুনঃঅর্থায়ন স্কিম” চুক্তি স্বাক্ষর করলো ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত ডিআর কঙ্গোয় স্কুলে আগুন, নিহত অন্তত ২৯ শিশু

প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It