1. news@gmail.com : news :
শিরোনাম :
সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা তৈরিতে ইউসিবির বিশেষ প্রশিক্ষণ ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত মে মাসের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ১৪৪ কোটি ২০ লাখ ডলার এনআরবিসি ব্যাংকের ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ ওয়ালটনের প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির নতুন ৪ মডেলের ওয়াশিং মেশিন উন্মোচন যশোরে সরকারি ভর্তুকিতে কেনা ৮১ কম্বাইন হারভেস্টারের অর্ধেকের হদিস নেই ধর্মীয়স্থান ও স্কুলের কাছে থাকা মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের ৪২৫ কোটি টাকার মূলধন নিয়ে শুরু হলো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২০৭ শেয়ারদর

শুল্ক-করের ১১২ কোটি টাকা জাপান টোব্যাকোর পেটে!

  • প্রকাশ: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

বহুজাতিক তামাক কোম্পানি জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড (জাপান টোব্যাকো)-এর বিরুদ্ধে প্রায় ১১২ কোটি টাকার শুল্ক-কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)-মূসক এর নিরীক্ষায় এই ফাঁকির তথ্য উঠে এসেছে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি পাঁচ বছরে ১ হাজার ৩০৯ কোটি টাকার তামাকপাতা ক্রয় করেছে, যার বিপরীতে ৯৮ কোটি টাকার বেশি উৎসে মূসক বা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রানুসারে প্রতিষ্ঠানটি ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছরে তামাকপাতা ক্রয়ের উপর এক টাকাও উৎসে ভ্যাট পরিশোধ করেনি। যে কারণে ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে উৎসে ভ্যাট ফাঁকির মামলা করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ৩ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে দাবিনামা সম্বলিত কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা হয়।

অন্যদিকে, মূল্য ও শুল্ক হার বাড়ার আগে সিগারেট মজুত করে বেশি দামে সরবরাহের মাধ্যমে প্রায় ১৩ কোটি ২৬ লাখ টাকার শুল্ক-কর রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। যদিও ফাঁকি দেওয়া রাজস্বের ওপর প্রযোজ্য সুদারোপ হলে টাকার পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে বলে জানা গেছে।

বহুজাতিক তামাক কোম্পানি জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড (জাপান টোব্যাকো)-এর বিরুদ্ধে এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) প্রায় ১১২ কোটি টাকার শুল্ক-কর ফাঁকির চূড়ান্ত দাবিনামা জারি করেছে। নিরীক্ষা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি গত পাঁচ বছরে তামাকপাতা ক্রয়ের বিপরীতে উৎসে ভ্যাট বাবদ ৯৮ কোটি টাকার বেশি এবং বাজেট ঘোষণার আগে কম শুল্কে সিগারেট মজুত করে বাড়তি দামে বিক্রির মাধ্যমে আরও প্রায় ১৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা ফাঁকি দিয়েছে

এ বিষয়ে বৃহৎ করদাতা ইউনিট (ভ্যাট) বিভাগের কমিশনার মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘তামাকপাতা কেনায় উৎসে মূসক কাটার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা করা হয়নি। এই প্রতিষ্ঠানটি ছাড়া আমাদের পর্যালোচনায় আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের একই ধরনের তথ্য রয়েছে। আমরা এনবিআরকে অনুরোধ করেছি যেন দেশের প্রতিটি ভ্যাট কমিশনারেটকে এই বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়, যাতে অন্য সব তামাক কোম্পানিও একই নিয়মের আওতায় আসে।’

অন্যদিকে, এই ফাঁকির বিষয়ে জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্পোরেট ও মিডিয়া রিলেশন কর্মকর্তা কাজী রুবাইয়া ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উৎসে ভ্যাটবাবদ সাড়ে ৯৫ কোটি টাকা ফাঁকি

তামাকপাতা ক্রয়ের ক্ষেত্রে উৎসে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) কর্তন না করায় সাড়ে চার বছরে প্রায় ৯৫ কোটি ৬২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি বা অপরিশোধিত ছিল বলে এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

ভ্যাট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন করমেয়াদ পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে তামাকপাতা ক্রয়ের বিপরীতে আইন অনুযায়ী উৎসে মূসক কর্তনের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তা পরিশোধ করেনি। উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তন ও আদায় বিধিমালা, ২০২০ এবং উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তন ও আদায় বিধিমালা, ২০২১-এর বিধি-৪ এর উপবিধি (খ) অনুসারে মূসক অব্যাহতিপ্রাপ্ত কোনো পণ্য বা সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী উৎসে মূসক কর্তনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ফাঁকির বিষয়ে জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্পোরেট ও মিডিয়া রিলেশন কর্মকর্তা কাজী রুবাইয়া ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি

এনবিআরের পর্যবেক্ষণ বলছে, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইনের প্রথম তফসিলে তামাকপাতাকে সরাসরি মূসক অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তামাকপাতা প্রথম তফসিলভুক্ত স্থায়ী অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্যের মধ্যে পড়ে না এবং প্রজ্ঞাপনে উৎসে মূসক কর্তন থেকে পৃথক কোনো অব্যাহতির কথাও উল্লেখ নেই, তাই তামাকপাতা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরবরাহ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের উৎসে মূসক কর্তনের আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে বিপুল পরিমাণ তামাকপাতা ক্রয় করলেও উৎসে মূসক কর্তন করেনি। এ কারণে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির কাছে ৯৫ কোটি ৬২ লাখ ৫৬ হাজার ৬ টাকা রাজস্ব দাবি করে চূড়ান্ত দাবিনামা ইস্যু করা হয়েছে।

তদন্তে বছরভিত্তিক অপরিশোধিত বা ফাঁকি দেওয়া রাজস্বের মধ্যে রয়েছে, কর-বছর হিসাবে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ২২ কোটি ৪৫ লাখ ৩১ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২০২১-২০২২ কর-বছরে ২৪ কোটি ৯২ লাখ ২৭ লাখ ৪০১ টাকা, ২০২২-২০২৩ কর-বছরে ২০ কোটি ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৭ টাকা, ২০২৩-২০২৪ কর-বছরে ৪ কোটি ৭১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৭ টাকা এবং ২০২৪-২০২৫ কর-বছরে ২৩ কোটি ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৬৩ টাকা উৎসে মূসক বা ভ্যাট দিয়েছে জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল।

তামাকপাতা ক্রয়ে উৎসে ভ্যাটে আরও আড়াই কোটি টাকা ফাঁকি

জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড তামাকপাতা ক্রয়ে আইন অনুযায়ী উৎসে মূসক কর্তন না করার কারণে প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৭ হাজার টাকার রাজস্ব দাবি করেছে বৃহৎ করদাতা ইউনিট। নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে অক্টোবর সময়কালে স্থানীয়ভাবে তামাকপাতা ক্রয়ের বিপরীতে উৎসে মূসক কর্তনের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তা পরিশোধ করেনি। অথচ তামাকপাতা ক্রয়ের ক্ষেত্রে উৎসে মূসক কর্তনের আইনগত বাধ্যবাধকতা বহাল ছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয়ভাবে তামাক পাতা ক্রয় করলেও উৎসে মূসক কর্তন করেনি। এরই ধারাবাহিকতায় মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৭৩ অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা তামাকপাতার ওপর অপরিশোধিত উৎসে মূসক বাবদ ২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৭ হাজার ৭৬৭ টাকা আদায়যোগ্য। চূড়ান্ত দাবিনামা জারির পরও তা পরিশোধ না করলে সুদ আরোপ হবে বলে জানা গেছে।

এনবিআর সূত্রানুসারে, চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে কারণ দর্শানো নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছে জেটি ইন্টারন্যাশনাল। শুনানিতে জেটি ইন্টারন্যাশনালের একজন ব্যবস্থাপক, একজন ভ্যাট কনসালটেন্ট উপস্থিত ছিলেন। তারা লিখিত বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেন।

শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য ছিল, কৃষককে (উৎপাদনকারী) জোগানদার বিবেচনা করে জোগানদার সেবা কোডের আওতায় মূসক দাবির আপত্তিটি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে সংজ্ঞা অনুযায়ী, জেটি ইন্টারন্যাশনাল একটি লিমিটেড কোম্পানি হওয়ায় এবং তাদের দাবি অনুযায়ী অপ্রক্রিয়াজাত তামাক চাষিদের নিকট থেকে ক্রয় করার সেবাটি আইনগত জোগানদার সেবা হিসেবে বিবেচ্য। ফলে যোগানদার সেবা ক্রয়ের বিপরীতে উৎসে মূসক কর্তন বিধিমালার বিধিসমূহ প্রযোজ্য হবে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১৩টি বক্তব্য দেওয়া হয়, যার জবাব দিয়েছে এলটিইউ। যা বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করে এলটিইউ। তাই চূড়ান্ত দাবিনামার দুইটি আদেশে ৯৮ কোটি ১৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭২ টাকা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা-৭৩ (২) অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে কর নির্ধারণ করা হয়।

এনবিআরের তদন্তে দেখা গেছে, ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত জাপান টোব্যাকো ১ হাজার ৩০৯ কোটি টাকার তামাকপাতা ক্রয় করলেও আইন অনুযায়ী ১ টাকাও উৎসে ভ্যাট পরিশোধ করেনি। যদিও কোম্পানিটির দাবি ছিল কৃষকদের জোগানদার বিবেচনা করে ভ্যাট দাবি গ্রহণযোগ্য নয়, এলটিইউ তা নাকচ করে দেয়। এছাড়া, পুরোনো শুল্ক হারে তৈরি সিগারেট মজুত করে নতুন বাজেটের বর্ধিত মূল্যে বিক্রি করার মাধ্যমেও রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেছে

সিগারেট মজুত করে বেশি দামে বিক্রি করে ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

সিগারেটের মূল্য ও সম্পূরক শুল্ক হার বৃদ্ধির পরও পুরোনো দামে শুল্ক-কর পরিশোধ করে বাজারে সরবরাহ করার মাধ্যমে জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল ১৩ কোটি ২৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় সিগারেটের স্তরভিত্তিক মূল্য ও সম্পূরক শুল্ক হার পরিবর্তনের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির টঙ্গীর মরকুন কারখানা ও ওয়্যারহাউজ/ডিপোতে মজুত সিগারেটের তথ্য সংগ্রহ করে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের একটি বিশেষ টিম। পরের দিন ৬ জুন থেকে সিগারেটের নতুন মূল্যস্তর ও বর্ধিত সম্পূরক শুল্ক হার কার্যকর হয়।

তদন্তে ভ্যাট কর্মকর্তাদের টিম দেখতে পায়, ২০২৪ সালের ৫ জুন পর্যন্ত কার্যকর পুরোনো মূল্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সিগারেটের ওপর মোট ১৫৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮৭৬ টাকা শুল্ক-কর পরিশোধ করে ওয়্যারহাউজে পণ্য স্থানান্তর করে। তবে, পরে ওই মজুত সিগারেটই ৬ জুন থেকে বর্ধিত মূল্যে ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বর্ধিত মূল্যে ওই সিগারেটের ওপর মোট প্রযোজ্য শুল্ক-করাদির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৬৬ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৯২০ টাকা। অর্থাৎ পুরোনো হারে শুল্ক-কর পরিশোধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ১৩ কোটি ২৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪ টাকা শুল্ক-কর পরিহার করেছে বা পরিশোধ না করে ফাঁকি দিয়েছে বলে অভিযোগ এনেছে। যার মধ্যে সম্পূরক শুল্ক বাবদ ১০ কোটি ৯৬ লাখ ১৪ হাজার ৬৮০ টাকা, মূসক বাবদ ২ কোটি ১৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯০৩ টাকা এবং সারচার্জ বাবদ ১৪ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬০ টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। সিগারেট ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে- ক্যামেল কানেক্ট ডার্ক ব্লু, নেভি, শেখ এসএফ, রিয়েল ও কেটু ইত্যাদি।

এ বিষয়ে এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশ না করে) বলেন, তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির কাছে ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটর পর্যায়ে কী মূল্যে সিগারেট সরবরাহ করা হয়েছে এবং কী হারে শুল্ক-কর পরিশোধ করা হয়েছে, সে সংক্রান্ত হিসাব ও প্রমাণপত্র চাওয়া হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি কেবল মূল্য তালিকা জমা দিলেও শুল্ক-কর পরিশোধ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রমাণক দাখিল করেনি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে চূড়ান্ত আদেশ জারির পর জাপান টোব্যাকো আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করে। যা এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর


প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It