মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে দেশের জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে সরকার। তবে পবিত্র ঈদুল আজহা ও ক্রেতা–বিক্রেতাদের সুবিধায় শপিং মল বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ৯টা পর্যন্ত করার আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা। এ নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
রোববার (৩ মে) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান এতে স্বাক্ষর করেন।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, দেশের শপিং মলগুলো সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে দেশের কয়েক হাজার ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। অধিকাংশ ক্রেতা সাধারণত অফিস শেষে সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করে থাকেন। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে শপিং মল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে এবং ব্যবসার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা (যেমন তৈরি পোশাক বিক্রেতা, ছোট দোকানদার) ইতিমধ্যে চরম সংকটে পড়েছেন। এ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বহু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া সরকারের শুল্ক–কর আদায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ব্যবসায়ীরা সব সময় সরকার নির্ধারিত আইন ও নীতিমালা মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। যদি প্রয়োজন হয় শপিং মল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এর ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহার সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যাপ্ত সময় পেয়ে তাঁদের পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It