1. news@gmail.com : news :

বিজয়ের শপথের পর যে স্মৃতি তুলে ধরে আবেগে ভাসলেন বাবা চন্দ্রশেখর

  • Update Time : Monday, May 11, 2026

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সর্বাধিক আসন পেয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। ১০৮ আসনে জয় পেয়েছে দল। কিন্তু এককভাবে সরকার গঠনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় শুরু হয় সিনেমাটিক রাজনীতি।

গত ৪ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর চলে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন। টানা কয়েক দিনের জল্পনা ও নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর অবশেষে রোববার (১০ মে) তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন থালাপতি বিজয়। এই বিশেষ দিনে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর হিসেবে শপথ নেন।

থালাপতি বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই আজ দেশজুড়ে তার জয়জয়কার। বিজয়ের এই সাফল্যে গর্বিত তার বাবা-মাও। কিন্তু সময় বরাবর তার পক্ষে ছিল না। অভিনেতার শৈশবে আর্থিক অভাবও ছিল। সেই লড়াইয়ের কথা বললেন তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীর বাবা দক্ষিণী পরিচালক এসএ চন্দ্রশেখর। ছেলের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানের পর আবেগে ভাসলেন তিনি।

অভিনয়জগতে দীর্ঘ সাফল্যের পর রাজনীতিতে এসে বিজয় অল্প সময়েই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) দল গঠনের পর প্রথম নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেই জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে জায়গা করে নিয়েছেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় স্টার থালাপতি বিজয়।

সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে দক্ষিণী পরিচালক এসএ চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, তাদের জীবন একসময় খুবই কষ্টের ছিল। আর্থিক সমস্যার কারণে বহু সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের। সেই কঠিন সময়ে তিনি স্বপ্ন দেখতেন— তার ছেলে একদিন অনেক বড় মানুষ হবে এবং মানুষের জন্য কাজ করবে। সেই স্বপ্নই পূরণ হচ্ছে আজ।

এ পরিচালক বলেন, বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান দেখে তার চোখে পানি এসে যায়। কারণ ছেলে শুধু সফল অভিনেতাই নয়; এবার থেকে তার ছেলে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, জীবনের নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিজয় কখনো হাল ছাড়েনি। কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার জোরেই সে আজ এ জায়গায় এসে পৌঁছেছে।

গর্বিত বাবা বলেন, ও আমার স্বপ্নপূরণ করেছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।  তিনি বলেন, আমাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৭৩ সালে। বিজয়ের জন্ম ১৯৭৪-এ। তখন আমি সহপরিচালক হিসেবে কাজ করি। একসময় খাবারের জন্যও লড়াই করেছি। ও কিন্তু সব মনে রেখেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন



প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It