গাজীপুরের চন্দ্রায় প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছে মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস (এমইএস)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
সফরকালে প্রতিষ্ঠানটির বিশাল উৎপাদন পরিধি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম, পণ্যের বৈচিত্র্য এবং আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন সক্ষমতা দেখে গভীর সন্তোষ ও মুগ্ধতা প্রকাশ করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস-এর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল হাসান উজ জামান। প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কস ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েমসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে তাদেরকে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. মাহবুবুল আলম এবং প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
সফরকালে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ডিসপ্লে সেন্টারে প্রদর্শিত বিভিন্ন পণ্য, প্রোডাকশন প্ল্যান্ট এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন (আরঅ্যান্ডআই) বিভাগ ঘুরে দেখেন। তারা লিফট, এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, ক্যাবল ও কম্প্রেসরসহ নানা ধরনের হাই-টেক পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন।
পরিদর্শন শেষে মিলিটারী ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস-এর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল হাসান উজ জামান বলেন, “ওয়ালটনের বিশাল উৎপাদন পরিধি, পণ্যের বৈচিত্র্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সত্যিই প্রশংসনীয়। দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রতিষ্ঠানটির অবদান নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের মতো আমরাও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য ব্যবহারে অগ্রাধিকার দিই এবং এ ক্ষেত্রে ওয়ালটনের নাম স্বাভাবিকভাবেই সবার আগে বিবেচনায় আসে।”
এমইএস-এর ওয়ার্কস ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম বলেন, “বাংলাদেশে এত বড় পরিসরে ম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতা গড়ে ওঠা এবং এখান থেকে বিশ্ববাজারে পণ্য রপ্তানি হওয়া পুরো দেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতির ক্ষেত্রে ওয়ালটন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনায় রেখে কাজ করছে।”
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. মাহবুবুল আলম বলেন, “এমইএস-এর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের এই সফর ওয়ালটনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিপণ্য তৈরির মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখাই ওয়ালটনের প্রধান লক্ষ্য।”
অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিজনেস কো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আনজুম সমগ্র কার্যক্রমটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ওয়ালটনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, এসি বিভাগের সিবিও মো. তানভীর রহমান, কর্পোরেট সেলস প্রধান আহমেদ তানভীর, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রতীক কুমার মোদক, লিফট বিভাগের সিবিও মো. মাহমুদুর রহমান এবং অ্যাডমিন প্রধান তানভীর আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It
Leave a Reply