1. news@gmail.com : news :

তৃতীয় সন্তান নিলে মাসে প্রায় ১৭ হাজার করে ভাতা দেবে তুরস্ক

  • Update Time : Monday, April 21, 2025
এছাড়া দেশটিতে শুরু করা হয়েছে নতুন একটি পোগ্রাম। যা নতুন বছরের শুরুতে শুরু হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যেসব দম্পতি সন্তান নেবেন তারা আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রথম সন্তানের জন্য দম্পতিরা এককালীন ৫ হাজার লিরা পাবেন। এরপর দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হলে তার জন্য মাসিক ১ হাজার ৫০০ লিরা ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের পর যেন দম্পতিরা তৃতীয় সন্তান নিতে উদ্বুদ্ধ হন সেজন্য তৃতীয় সন্তানের জন্য মাসিক ৫ হাজার লিরা ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। যা ১৩২ ডলারের সময়। আর বাংলাদেশি অর্থে এটি ১৭ হাজার টাকার সমান। তুরস্কের যেসব মানুষ বিদেশে থাকেন করেন তারাও এ সুবিধা গ্রহণের জন্য ওই দেশের তার্কিস দূতবাসা অথবা কনস্যুলেটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। জীবনমানের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তুরস্কে অনেকে বিয়ে করতে চান না। বিয়ে করলেও সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে অনীহা দেখা যায়। বিজ্ঞাপন নতুন যে পোগ্রামটি নেওয়া হয়েছে সেটি ‘তুরস্কের ভবিষ্যত ঝুঁকি’ মোকাবেলায় কাজ করবে বলে বলা হচ্ছে। সূত্র: দ্য নিউ আরব

দেশে জন্মহার বাড়াতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়ের এরদোয়ান বেশ কিছু নীতি ঘোষণা করেছেন। দেশটিতে বিবাহের হার কমে যাওয়া, ডিভোর্সের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নতুন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন তিনি। জন্মহার কমা ও বয়স্কের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি তুরস্কের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানে এগিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।

এছাড়া দেশটিতে শুরু করা হয়েছে নতুন একটি পোগ্রাম। যা নতুন বছরের শুরুতে শুরু হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যেসব দম্পতি সন্তান নেবেন তারা আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রথম সন্তানের জন্য দম্পতিরা এককালীন ৫ হাজার লিরা পাবেন। এরপর দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হলে তার জন্য মাসিক ১ হাজার ৫০০ লিরা ভাতা দেওয়া হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের পর যেন দম্পতিরা তৃতীয় সন্তান নিতে উদ্বুদ্ধ হন সেজন্য তৃতীয় সন্তানের জন্য মাসিক ৫ হাজার লিরা ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। যা ১৩২ ডলারের সময়। আর বাংলাদেশি অর্থে এটি ১৭ হাজার টাকার সমান। তুরস্কের যেসব মানুষ বিদেশে থাকেন করেন তারাও এ সুবিধা গ্রহণের জন্য ওই দেশের তার্কিস দূতবাসা অথবা কনস্যুলেটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

জীবনমানের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তুরস্কে অনেকে বিয়ে করতে চান না। বিয়ে করলেও সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে অনীহা দেখা যায়।

নতুন যে পোগ্রামটি নেওয়া হয়েছে সেটি ‘তুরস্কের ভবিষ্যত ঝুঁকি’ মোকাবেলায় কাজ করবে বলে বলা হচ্ছে।

সূত্র: দ্য নিউ আরব

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন



প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It