1. news@gmail.com : news :

ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বড় পদক্ষেপ

  • Update Time : Thursday, October 29, 2026

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভ থেকে ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে প্রতি ডলার ১২৪ টাকা থেকে ১২৪ টাকা ৩০ পয়সা দরে এ অর্থ বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মোট ডলারের চাহিদা ছিল ৮০ কোটি ডলার। তবে চাহিদার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক সরবরাহ করেছে ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার। এর আগে গত ২০ অক্টোবর প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা দরে বিক্রি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বুধবার সকালে রেমিট্যান্স হাউসগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে প্রতি ডলার ১২৪ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রির প্রস্তাব দেয়। কয়েকটি ব্যাংক ১২৪ টাকা ৩০ পয়সা দরেও ডলার কেনে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ডলার ছাড়ার পর রেমিট্যান্স হাউসগুলো তুলনামূলক কম দামে ডলার বিক্রির প্রস্তাব দিতে শুরু করে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বুধবার ৩০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক লেনদেনের দায় পরিশোধের প্রয়োজন হওয়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়। একই সঙ্গে মাসের শেষ দিকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ কিছুটা কমে আসায় বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে।

একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ব্যাংকগুলোতে এখনো ডলারের উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। চলতি মাসে আরও কয়েকটি বড় অঙ্কের বৈদেশিক দায় পরিশোধ করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ অব্যাহত রাখলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে। প্রয়োজনে আরও কয়েক দফা ডলার বিক্রি করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রির বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে শেষ পর্যন্ত সেদিন রিজার্ভ থেকে কোনো ডলার সরবরাহ করা হয়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে মোট ১৫ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়েছে। অন্যদিকে চলতি অক্টোবরের প্রথম ২৭ দিনে প্রবাসীরা দেশে ২৫৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

এদিকে আরেকটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জ্বালানি খাতের বৈদেশিক দায় পরিশোধ। বিশেষ করে পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বড় অঙ্কের আমদানি বিল পরিশোধের চাপ থাকায় গত কয়েক দিনে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন

প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It