স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কমনওয়েলথভুক্ত উন্নত দেশগুলোকে বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সেন্ট জনসে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনের (সিএইচওজিএম) নির্বাহী অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ আহ্বান জানান ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে সৃষ্ট আর্থসামাজিক পরিবর্তন যেন মসৃণভাবে সম্পন্ন হয় সেজন্য কমনওয়েলথের উন্নত দেশগুলোকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণকারী দেশগুলোর জন্য আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্যে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখতে হবে।
অ্যান্টিগুয়ার আমেরিকান ইউনিভার্সিটির সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে কমনওয়েলথের ৫৬টি সদস্য দেশের সরকারপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিনিধিদলের প্রধানরা অংশ নেন।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতা হিসেবে বক্তব্যে হুমায়ুন কবির কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহব্যবস্থা ও বাণিজ্য পরিচালনায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্যের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
অধিবেশনে কমনওয়েলথ নেতারা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রস্তাব তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বেসরকারি খাতে অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থার পাশাপাশি বাণিজ্য ব্যবস্থায় অধিকতর সমন্বয় প্রতিষ্ঠা, জলবায়ু অর্থায়নে অংশীদারত্ব জোরদার এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা।
১ থেকে ৪ নভেম্বর অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৮তম কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলন। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে হুমায়ুন কবিরকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It
Leave a Reply