1. news@gmail.com : news :

এনবিআর সংস্কার আন্দোলন: আরও ৩ কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ বাতিল

  • Update Time : Friday, September 11, 2026
একই সময়ে শুল্ক আদায় হয়েছে ৭৪ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১৬ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা কম। এ খাতে প্রবৃদ্ধি ০.৩৮ শতাংশ। অন্যদিকে আয়কর আদায় হয়েছে ৮৬ হাজার ৯২০ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২৯ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা কম। আর প্রবৃদ্ধি ৫.৬৭ শতাংশ। এনবিআর সূত্র বলছে, কেবল মার্চে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২ হাজার ৯৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৪ হাজার ৬৬৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ঘাটতি ৭ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। লক্ষ্যের তুলনায় ঘাটতি থাকলেও এ সময় রাজস্ব আহরণে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধি ৯.৬৪ শতাংশ। এ বিষয়ে এনবিআরের সদস্য (ভ্যাট বাস্তবায়ন ও আইটি) মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, রোজার ঈদের ছুটিতে একটা বড় সময় চলে গেছে। তখন রাজস্ব আদায় বন্ধ ছিল। এছাড়া বিপিসির দেওয়া ৫ হাজার কোটি টাকাও মার্চের হিসাবে আসেনি। কারখানা স্থানান্তর জটিলতার কারণে ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো থেকেও দেড় হাজার কোটি টাকা কম আয় হয়েছে। আশা করছি এপ্রিলে রাজস্ব আদায় বাড়বে। চলতি অর্থবছরে এনবিআরকে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। তবে অর্থবছরের মাঝপথে এসে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ কোটি করা হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভাগীয় শাস্তির মুখে পড়া আরও ৩ কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সব ধরনের বিভাগীয় মামলার দায় থেকেও পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কাছে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

দণ্ড মওকুফ পাওয়া ৩ কর্মকর্তা হলেন—কর অঞ্চল-২-এর উপ কর কমিশনার নুশরাত জাহান শমী, চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-৪-এর যুগ্ম কর কমিশনার মেসবাহ উদ্দিন খান ও কর অঞ্চল-৭-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা।

এর আগে পৃথক পৃথক আদেশের মাধ্যমে অনুরূপ অভিযোগে শাস্তিপ্রাপ্ত আরও ২১ জন কর্মকর্তা দণ্ড মওকুফ পেয়েছেন। নতুন ৩ জন যুক্ত হওয়ায় মোট ২৪ জন কর্মকর্তা তাদের শাস্তি থেকে রেহাই পেলেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আন্দোলনে অংশগ্রহণ, কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টতা এবং সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। শাস্তি হিসেবে তাদের বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ অবনমিত করা হয়েছিল।

পরে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কয়েকজন রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল করেন। আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি তাদের আবেদন মঞ্জুর করায় সংশ্লিষ্ট দণ্ডাদেশ বাতিল এবং কয়েকজনকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন

প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It