২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের নীতিকাঠামোকে ‘চিন্তাশীল’ আখ্যা দিলেও এর ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত আর্থিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে দুর্বল এবং অনেক ক্ষেত্রে ‘অপেশাদার’ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয়
নগরজীবনের দৈনন্দিন কেনাকাটাকে আরও সহজ, ও দ্রুত করতে রিটেইল ব্যবসার উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)। প্রতিষ্ঠানটি আজ একযোগে ঢাকার মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬ এর ৯টি স্টেশন
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ‘বড় হলেও বাস্তবায়নযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। তবে এ
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি হলে দুর্নীতি কমবে বলে আশা করছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, তাই বেতন সমন্বয় করা জরুরি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু টুলস আছে, যা আমরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রয়োগ করব। আমানতকারীদের কোনো অসুবিধা হবে না,
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, তারেক রহমান জনআস্থা পূরণে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত কার্যকর ও উপযোগী দেশ।
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং যোগাযোগ অবকাঠামো শক্তিশালী করতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অর্থ
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে এ বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী খেতাবপ্রাপ্ত
‘কৃষক কার্ড’ দিতে আগামী বাজেটে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের ১০০টি উপজেলায় সাড়ে ৪২ লাখ কৃষক এই কার্ড পাবেন। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে