যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে কোন ঘাঁটি বা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তরিত কিছু জানায়নি তারা।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে হামলার কথা জানালেও কোন কোন মার্কিন ঘাঁটি বা স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এর আগে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা আইএসএনএ আইআরজিসির একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছিল। সেখানে বলা হয়, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাব হবে ‘কঠোর ও দ্রুত’।
তবে কিছুক্ষণ পর আইএসএনএ তাদের ওয়েবসাইট থেকে ওই বিবৃতিটি সরিয়ে নেয়।
প্রসঙ্গত, হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার অভিযোগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ‘বোকামিপূর্ণভাবে লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তোলার পর শুক্রবার এই হামলা চালানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার, পাশাপাশি উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোতে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, এটি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে চালানো ড্রোন হামলার ‘শক্তিশালী জবাব।’ এই ঘটনার কারণে ইরানের সঙ্গে হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) হামলাকারী ড্রোন একটি কার্গো জাহাজে আঘাত হানে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
হামলার ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের হামলার জবাব দেওয়া হবে কি না, তা দেখতেই পাবেন।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It
Leave a Reply