এই ইকুয়েডর বিশ্বকাপে এসেছিল কনমেবল বাছাইপর্বের দ্বিতীয় দল হয়ে। বাছাইপর্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছে, ব্রাজিলকে ড্রয়ে বাধ্য করেছে দলটি। সেই দলটি কি না বিশ্বকাপে এসে প্রথম ম্যাচেই হেরে বসল। তাও আবার আফ্রিকান দল আইভরি কোস্টের কাছে! ৯০ মিনিটে আমাদ দিয়ালোর গোলে আফ্রিকান দলটি ১-০ ব্যবধানে জিতেছে।
পুরো ম্যাচে দুই দলই সুযোগ তৈরি করেছে খুব কম। শেষ মুহূর্তে জিততে হলে একটা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের প্রয়োজন ছিল। সেটাই করে দেখালেন আমাদ দিয়ালো ত্রায়োরে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উইলফ্রেড সিঙ্গো ডান দিক থেকে বক্সের মাথায় নিচু ক্রস দেন। দিয়ালো বলটি বাঁ পায়ে প্রথম ছোঁয়াতেই জালে পাঠান।
পুরো ম্যাচে ইকুয়েডর বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল। তারা দুবার পোস্টে বল মেরেছে। তাদের মোট ১২টি শট ছিল, কিন্তু মাত্র একটি লক্ষ্যে ছিল। আইভরি কোস্টের ১৫টি শটের মধ্যে চারটি লক্ষ্যে ছিল।
প্রথমার্ধে কোনো গোল হয়নি, তবে খেলা একেবারে নিরস ছিল না। ইকুয়েডর দুবার পোস্টে মেরেছে এবং বেশ কিছু ভালো সুযোগ নষ্ট করেছে। আইভরি কোস্টও কিছু চমৎকার আক্রমণ করেছে।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫২ মিনিটে আইভরি কোস্টের ওয়াহি ক্রসবারে মারেন। তারপর থেকে আইভরি কোস্ট চাপ বাড়াতে থাকে।
ম্যাচের একটি বড় বিষয় ছিল আইভরি কোস্টের ফাউলের সমস্যা। দলটি একাধিক অপ্রয়োজনীয় ফাউল করেছে এবং হলুদ কার্ড পেয়েছে। ডুয়ে প্রায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বসেছিলেন।
এই হারে ইকুয়েডরের গ্রুপ পার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে গেছে। তিন পয়েন্ট পেলেও তারা হয়তো নকআউটে যেতে পারে, তবে গোল পার্থক্য অনেক বাড়াতে হবে। জার্মানির বিপক্ষে ড্র করতে পারলে কিছুটা সুবিধা হতো। তবে দিনের অন্য ম্যাচে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে যেভাবে খেলেছে ডি মানশাফটরা, তাতে সে সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে হচ্ছে।
গ্রুপ ই-তে এখন পয়েন্ট তালিকায় জার্মানি ৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে, তাদের গোল পার্থক্য +৬, দুইয়ে থাকা আইভরি কোস্টের পয়েন্টও ৩, তাদের গোল পার্থক্য +১, ইকুয়েডর ০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে, কারণ তাদের গোল পার্থক্য −১। অন্যদিকে নবাগত কুরাসাও ০ পয়েন্ট ও −৬ গোল পার্থক্য নিয়ে তালিকার তলানীতে অবস্থান করছে।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It
Leave a Reply