1. news@gmail.com : news :
শিরোনাম :
সাব-রেজিস্ট্রার বদলি: আলোচিত আসিফ নজরুলের শতকোটি টাকা দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল চক্র ইরান-আমেরিকা ২ সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধবিরতি শুরু ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্র্যান্ড প্রধান হলেন নজরুল ইসলাম রেমিট্যান্স সংগ্রহে অ্যাওয়ার্ড পেল রূপালী ব্যাংক চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি জাহাজ পৌঁছেছে বাংলা নববর্ষে ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক ছুটিতে ইসলামী ব্যাংকের এমডি হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের, আটকানো হবে ইরানকে টোল দেওয়া জাহাজ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান নবনির্বাচিত শাকিব আহমেদ অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াতে একীভূত হচ্ছে ওয়ালটন হাই-টেক ও ডিজি-টেক

বাংলা নববর্ষে ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশ: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে এবং কৃষি সেবাকে শতভাগ ডিজিটাল করতে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী পহেলা বৈশাখ (১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম থেকে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে এটি প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১১টি ব্লকে চালু করা হচ্ছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে তৈরি এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। শুরুর এই দফায় ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে কার্ড দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে মৎস্যচাষী, প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ খামারী এবং লবণ চাষীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। ভূমিহীন থেকে শুরু করে বড় শ্রেণির সকল কৃষকই পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি বিভিন্ন প্রণোদনাসহ অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। সবচেয়ে বড় আকর্ষণীয় দিক হলো, কার্ডধারী কৃষকরা প্রতি বছর ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। এটি কৃষকদের পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ডিজিটাল কৃষি সেবা পাওয়ার পথ আরও সুগম করবে।

প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও পাঁচপির ব্লক, বগুড়ার উথলি, ঝিনাইদহের কৃপালপুর, পিরোজপুরের রাজাবাড়ি, কক্সবাজারের রাজারছড়া, কুমিল্লার অরণাপুর, টাঙ্গাইলের সুরুজ, রাজবাড়ির তেনাপঁচা, মৌলভীবাজারের ফুলতলা এবং জামালপুরের গাইবান্ধা ব্লক। সরকারের লক্ষ্য হলো, পাইলট প্রকল্প সফল হওয়ার পর আগামী ৪ বছরের মধ্যে সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর


প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It