বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশের জন্য তার অবদানকে নানাভাবে খাটো করা হয়েছে। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ শহিদ জিয়ার লেখা ‘একটি জাতির মুক্তি’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। সেসময় মুক্তিযুদ্ধ মাত্র শেষ হয়েছে। তখন একজন মুক্তিযোদ্ধাও এ বইয়ের কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধীতা করেন নাই। এতেই প্রমাণ হয় শহিদ জিয়া দেশের মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র।
শুক্রবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ হয়ে যায়, আর অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ হয়। তাই ইতিহাসকে মনে রাখতে হবে, তবে অতিরিক্ত চর্চা যেন ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত না করে, সে বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।’
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা ও আলোচনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এমন কিছু করা উচিত নয়, যা এ ইতিহাসকে খাটো করে।
দেশ গঠনে ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাই একসঙ্গে কাজ করলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এদিন দুপুর আড়াইটায় আলোচনা সভায় মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরেন বিশিষ্টজন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It