সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে ২৫৩টি সংসদীয় আসনে জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাকি ৪৭টি আসনের বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং সেগুলোর তালিকা পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে।
জোটের পক্ষে আসন বণ্টনের বিস্তারিত তুলে ধরেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সর্বাধিক ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩০টি আসন।
এ ছাড়া জোটের অন্যান্য শরিক দলের মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি এবং নেজামে ইসলামী পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।
আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত ছিল পঞ্চগড়-১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসন। সেখানে জোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের নাম ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে ওই আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান জোটের বৃহত্তর স্বার্থে সরে দাঁড়িয়ে সারজিস আলমকে সমর্থনের ঘোষণা দেন।
দীর্ঘ আলোচনা ও টানাপোড়েনের পর এই আসন সমঝোতা হলেও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি জানিয়েছে, তারা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে।
এদিকে প্রাথমিক তালিকায় খেলাফত আন্দোলন ও জাগপার নাম না থাকলেও ডা. তাহের জানান, খেলাফত আন্দোলনের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সমঝোতা হলে তাদের প্রার্থীর নামও তালিকায় যুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান জোটের প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে সক্রিয় থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক চানসহ ১১ দলীয় জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It