ভারতের একটি ক্রীড়া ক্লাবের দেওয়া চারটি ব্যবহৃত রোয়িং বোট আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। দেশে রোয়িং সরঞ্জামের সংকট ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, কলকাতা রোয়িং ক্লাব বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশনকে প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির জন্য চারটি বোট অনুদান হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।
ফেডারেশনের দাবি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণের মান উন্নয়নে এসব বোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে দেশে মানসম্মত রোয়িং সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেছে।
তবে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী বোটগুলো আমদানি করতে হলে মোট ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ শুল্ক-কর দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি, ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর, ৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক এবং ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ অগ্রিম কর।
আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে শুল্ক-কর অব্যাহতির সুপারিশ চায়। পরে মন্ত্রণালয় এনবিআরের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠায়।
বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশন জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মানের রোয়িং সরঞ্জামের সীমিত প্রাপ্যতায় খেলোয়াড়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বোটগুলোর অবস্থা ও ব্যবহারযোগ্যতা যাচাইয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক কারিগরি মূল্যায়ন করা হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম বলেন, ফেডারেশন বিষয়টি সরাসরি দেখছে। তারা যদি সরঞ্জামগুলো ব্যবহার উপযোগী মনে করে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It