1. news@gmail.com : news :

এইচএসকোড ভিত্তিক সব আমদানির তথ্য মিলবে এনবিআর ওয়েবসাইটে

  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
একই সময়ে শুল্ক আদায় হয়েছে ৭৪ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১৬ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা কম। এ খাতে প্রবৃদ্ধি ০.৩৮ শতাংশ। অন্যদিকে আয়কর আদায় হয়েছে ৮৬ হাজার ৯২০ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২৯ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা কম। আর প্রবৃদ্ধি ৫.৬৭ শতাংশ। এনবিআর সূত্র বলছে, কেবল মার্চে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২ হাজার ৯৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৪ হাজার ৬৬৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ঘাটতি ৭ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। লক্ষ্যের তুলনায় ঘাটতি থাকলেও এ সময় রাজস্ব আহরণে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধি ৯.৬৪ শতাংশ। এ বিষয়ে এনবিআরের সদস্য (ভ্যাট বাস্তবায়ন ও আইটি) মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, রোজার ঈদের ছুটিতে একটা বড় সময় চলে গেছে। তখন রাজস্ব আদায় বন্ধ ছিল। এছাড়া বিপিসির দেওয়া ৫ হাজার কোটি টাকাও মার্চের হিসাবে আসেনি। কারখানা স্থানান্তর জটিলতার কারণে ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো থেকেও দেড় হাজার কোটি টাকা কম আয় হয়েছে। আশা করছি এপ্রিলে রাজস্ব আদায় বাড়বে। চলতি অর্থবছরে এনবিআরকে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। তবে অর্থবছরের মাঝপথে এসে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ কোটি করা হয়।

সাধারণ মানুষসহ ব্যবসায়ী, গবেষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের জন্য এইচএসকোড ভিত্তিক পণ্য আমদানির তথ্য উন্মুক্ত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বাণিজ্যিক ও বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্যের এসব তথ্য এনবিআরের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, আমদানি বাণিজ্য সংক্রান্ত তথ্য সহজলভ্য করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে এনবিআরের ওয়েবসাইট nbr.gov.bd–এর publication পোর্টালের customs লিংকে ডিসেম্বর মাসের বাণিজ্যিক ও বন্ড সুবিধায় পণ্য আমদানির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্যে এইচএসকোড ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী আমদানি করা পণ্যের পরিমাণ, ওজন ও মূল্য সংক্রান্ত বিস্তারিত উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে।

এনবিআর বলছে, এ উদ্যোগের ফলে আমদানি সংক্রান্ত তথ্যপ্রাপ্তি আরও সহজ, উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ হবে। তরুণ উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, গবেষক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের জন্য নির্ভরযোগ্য ডেটা ব্যবহারের সুযোগ বাড়বে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম, আমদানির প্রবণতা, মৌসুমি পরিবর্তন এবং বাণিজ্য কাঠামো বিশ্লেষণ সহজ হবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বন্ডেড সুবিধার আওতায় শিল্প উপকরণের প্রবাহ, আমদানি নির্ভরতা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে সহায়তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়নেও এ তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণেও এসব উপাত্ত সহায়ক হবে বলে আশা করছে এনবিআর।

ট্রেড ফ্যাসিলিটেশনের অংশ হিসেবে বাণিজ্যিক ও বন্ড সুবিধায় পণ্য আমদানির তথ্য প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশের এ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এনবিআর।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It