1. news@gmail.com : news :
শিরোনাম :
রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে সাইফুল ইসলামের যোগদান কোরবানির ঈদে ঘরে বসেই সাশ্রয়ী ও নিরাপদ কেনাকাটার মেগা অফার নিয়ে এলো ‘স্বপ্ন’ ঈদকে সামনে রেখে ১৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪ হাজার কোটি টাকা উন্মোচিত হচ্ছে ইয়াদিয়ার নতুন মডেলের ইলেকট্রিক স্কুটার হামের টিকা ইস্যুতে ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট ২৬ পোশাক কারখানার সংকট: প্রিমিয়ার ব্যাংকের অনিয়ম তদন্তের দাবি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনায় খুলতে পারে শান্তির পথ: শাহবাজ শরিফ ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ ডিএসইতে দুই ঘণ্টায় লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া ষাঁড়টি এবার কোরবানীর হাটে, দাম ২২ লাখ

ধান গবেষণায় নতুন দিগন্ত, ব্রিতে স্থানভিত্তিক জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কর্মশালা

  • প্রকাশ: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উদ্যোগে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২১ জুন) ব্রি সদর দফতরের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)’ শীর্ষক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মো: মাহবুবুল হক পাটওয়ারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো: রফিকুল ইসলাম এবং পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানম। এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো: মোফাজ্জল হোসেন।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে টেকসই ধান উৎপাদন পদ্ধতি গড়ে তুলতেই এলএসটিডি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৬টি নতুন জাত ও ২০টি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকাসহ দেশের কৃষিতে অনগ্রসর অঞ্চলের স্থানভিত্তিক সমস্যার সমাধানে বাস্তবভিত্তিক গবেষণা ও প্রযুক্তির ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।

আরো বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে একটি জাত উদ্ভাবনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পাঁচটি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে প্রাথমিকভাবে ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম নির্বাচিত করা হয়েছে যেখানে স্থানীয় ‘সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগ দিয়ে ব্রি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রদর্শনী ও কৃষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় কৃষকদের অংশগ্রহণে ইতোমধ্যে ১৬৫টি মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে যা ব্রি উদ্ভাবিত উফশী আমন জাতের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, গবেষণার গুণগত উন্নয়ন ও কৃষকপর্যায়ে দ্রুত প্রযুক্তি হস্তান্তরের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নতুন আঞ্চলিক কার্যালয় ও স্যাটেলাইট স্টেশন স্থাপন, গবেষণা ল্যাব উন্নয়ন, জার্মপ্লাজম সংগ্রহ, উন্নতমানের বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ, জনবলের উচ্চ শিক্ষা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মী ও কৃষকদের প্রশিক্ষণসহ নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এদিকে ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ওই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে।

কর্মশালায় বক্তারা জানান, কৃষি উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাকে এগিয়ে নিতে প্রোভাইডার প্রকল্প একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। স্থানভিত্তিক উদ্ভাবন, প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ ও কৃষি দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর


প্রযুক্তি সহায়তায়: Star Web Host It